ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চন্দনাইশে ভিমরুলের কামড়ে ৭ বছরের শিশু রামীমের মৃত্যু

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 3, 2026 ইং
চন্দনাইশে ভিমরুলের কামড়ে ৭ বছরের শিশু রামীমের মৃত্যু ছবির ক্যাপশন: চন্দনাইশে ভিমরুলের কামড়ে ৭ বছরের শিশু রামীমের মৃত্যু
ad728
মোহাম্মদ ওমর ফারুক চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ভিমরুলের কামড়ে মো. ইয়াছিন আরহাম রামীম (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে রামিমের বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে ভিমরুলের আক্রমণের শিকার হয় রামীম। গুরুতর আহত অবস্থায় রামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ইয়াছিন আরহাম রামীম চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া বহরমপাড়া ইউছুপ তালুকদার বাড়ির বাসিন্দা প্রবাসী খোরশেদ আলমের ছোট ছেলে। সে বহরমপাড়া আজিজিয়া মাদ্রাসার নূরানী শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির উঠান ও আশপাশে খেলছিল শিশু রামীম। এ সময় হঠাৎ অসংখ্য ভিমরুল তাকে আক্রমণ করে। ভিমরুলের আক্রমণে গুরুতর আহত হলে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। পরে বিভিন্নভাবে শরীর থেকে ভিমরুল সরিয়ে তাকে প্রথমে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ৩টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পার্শ্ববর্তী চাচা মো. কুতুব উদ্দিন হাসান বলেন, ‘রোববার বিকেল ৪টার দিকে রামীম বাড়ির উঠান ও আশপাশে খেলছিল। হঠাৎ অনেকগুলো ভিমরুল তাকে আক্রমণ করে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে সে মারা যায়।’ তিনি আরও জানান, রামীমের বাবা বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি দেশে ফিরছেন। তিনি দেশে পৌঁছানোর পর জানাজা ও দাফনের সময় নির্ধারণ করা হবে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের