নিউজ ডেস্ক, চট্টগ্রাম
ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবল নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
গত কয়েক দিন ধরে কলকাতার ফেসবুক পেজে পোস্টগুলোর নিচে দেখা যাচ্ছে ‘অ্যাংরি’ ও ‘হাহা’ রিঅ্যাকশনের আধিক্য।
একই সঙ্গে বেড়েছে সমালোচনামূলক ও অসন্তোষপূর্ণ মন্তব্য।
এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পেজটির ফলোয়ার সংখ্যায়।
শেষ ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের ফেসবুক পেজ থেকে প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ার কমে গেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ লাখ ফলোয়ার হারাচ্ছে দলটি।
অর্থাৎ—প্রতি মিনিটে প্রায় ৩৪৭ জন, এবং প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৫ জন ফলোয়ার কমছে।
এই পরিস্থিতির শুরু হয় বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর।
নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা বাঁহাতি এই পেসারকে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেক সমর্থক।
মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পোস্টে এসেছে ২ লাখ ৩ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন।
এর মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ‘অ্যাংরি’ এবং প্রায় ৪০ হাজার ‘হাহা’ রিঅ্যাকশন লক্ষ্য করা গেছে।
মন্তব্যের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬০ হাজার, যার বড় অংশই ক্ষোভ প্রকাশমূলক।
মন্তব্যগুলোতে মূলত বিসিসিআই, আইপিএল এবং ভারতীয় ক্রিকেট ব্যবস্থাপনাকে ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
মোস্তাফিজ ইস্যুর পর কলকাতার ফেসবুক পেজে আরও ৯টি পোস্ট দেওয়া হয়।
যেখানে বরুণ চক্রবর্তী, নিউজিল্যান্ড সিরিজ, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল
এবং অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়।
তবে সেসব পোস্টেও কমেনি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া।
অ্যাংরি ও হাহা রিঅ্যাকশনের পাশাপাশি সমালোচনামূলক মন্তব্য অব্যাহত থাকে।
উল্লেখ্য, মোস্তাফিজুর রহমান এখন পর্যন্ত আইপিএলের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন।
৬০ ম্যাচে তিনি শিকার করেছেন ৬৫ উইকেট,
তার ইকোনমি রেট ৮ দশমিক ১৩।
২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে একাধিক পোস্ট করেছিল।
তবে চলতি মৌসুমে রাজনৈতিক জটিলতার কারণে আইপিএলে অংশ নেওয়া হচ্ছে না তার।
সব মিলিয়ে,
মোস্তাফিজ ইস্যুকে কেন্দ্র করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংকট
এখন ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট