ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্ট আমলে স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন হয়নি, লুটপাট ও চুরি হয়েছে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 3, 2026 ইং
ফ্যাসিস্ট আমলে স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন হয়নি, লুটপাট ও চুরি হয়েছে ছবির ক্যাপশন: ফ্যাসিস্ট আমলে স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন হয়নি, লুটপাট ও চুরি হয়েছে
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের স্বাস্থ্যখাতের কোনো উন্নয়ন হয়নি। বরং সর্বত্র লুটপাট ও চুরি হয়েছে। আমাদের সরকার দায়িত্ব নিয়েছে মাত্র সাত মাস। প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যখাতকে উন্নত করতে চেষ্টা করছেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালটি ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার খোঁজ নেন। হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় রূপান্তরেরও ঘোষণা দেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিদর্শনে এসেছি। হাসপাতালের নানান সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে ৯ জন জনবল পদায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাহিদা অনুযায়ী ৯ জন জনবল পদায়ন করা হবে। পাশাপাশি দেশের যেসব হাসপাতাল বর্তমানে ৫০ শয্যার রয়েছে, সেগুলোকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে উন্নতমানের প্যাথলজি সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০ শয্যা এবং নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। ডায়ালাইসিস রোগীদের জন্য থাকবে ১০টি শয্যা। আগামী দুই বছরের মধ্যে পটিয়া হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে প্রতিদিন ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন। ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাহিদা অনুযায়ী ৯ জন জনবল পদায়ন করা হবে। পাশাপাশি দেশের যেসব হাসপাতাল বর্তমানে ৫০ শয্যার রয়েছে, সেগুলোকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে উন্নতমানের প্যাথলজি সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০ শয্যা এবং নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। ডায়ালাইসিস রোগীদের জন্য থাকবে ১০টি শয্যা। আগামী দুই বছরের মধ্যে পটিয়া হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে প্রতিদিন ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন। ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. ফজলে রাব্বী, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপজেলার পাচুরিয়ায় একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’

‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’