ঢাকা | বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর মানবিক উদ্যোগে চসিক পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন হবে শতভাগ সরকারি অর্থায়নে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 26, 2026 ইং
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক উদ্যোগে চসিক পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন হবে শতভাগ সরকারি অর্থায়নে ছবির ক্যাপশন: প্রধানমন্ত্রী
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
 চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন হবে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে
পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আবাসন নির্মাণ প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার একনেক সভায় গৃহীত এ সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিনের বাসস্থান সংকটে থাকা সেবকদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত আবাসনের পথ উন্মুক্ত হলো।
সভায় আলোচ্যসূচির ১৩ নম্বরে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন “চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস নির্মাণ (১ম সংশোধিত প্রস্তাব)” প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়। প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও চসিকের সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার বিষয় তুলে ধরে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নের অনুরোধ জানানো হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তা সদয়ভাবে অনুমোদন দেন।
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আয় তুলনামূলক কম। এ আয় দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ইউটিলিটি ব্যয় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। তাই প্রকল্পে নিজস্ব অর্থায়নের অংশ বহন করা কঠিন ছিল। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা সত্যিই প্রশংসনীয় ও মানবিক।”
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীরা শহরের নীরব যোদ্ধা—তাদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তারা নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিকল্পিত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্প সংশোধন অনুযায়ী মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা পূর্বের ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের হালনাগাদ রেট সিডিউল এবং পরামর্শকের নতুন নকশা অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণকে উল্লেখ করেন মেয়র।
এছাড়া স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনিতে নির্ধারিত দুটি ভবনের একটি নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় সেটি ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জায়গায় নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে মেয়র জানান, প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত সেবকদের পুনর্বাসনে সময় লাগায় কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে প্রায় ৬০০ বর্গফুট। 


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ