প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 25, 2026 ইং
চট্টগ্রামে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং

নিউজ ডেস্ক | চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে নগরবাসী যেমন দুর্ভোগে পড়েছেন তেমনি শিল্প-কারখনায়ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তবে নগরের চেয়েও লোডশেডিং বেশি হচ্ছে গ্রামে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। যদিও চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের খাতাপত্রে লোডশেডিং ছিল অতি সামান্য। বাস্তবে আজও দিনের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিং ছিল।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জানা গেছে, চট্টগ্রামে ২৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৫৫৫ দশমিক ০৬ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৭৯৪.৫০ মেগাওয়াট। মঙ্গলভার অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৫৮.৯২ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৬৯.৪৩ মেগাওয়াট।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই দিন অফ-পিক আওয়ারে লোডশেডিং ছিল মাত্র ২৮ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে লোডশেডিং ছিল ৫১.৫০ মেগাওয়াট। অথচ এই হিসাবের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই বলছেন গ্রাহকরা।
গনমাধ্যম কে বলেন, নগরে প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। দিনে পাঁচ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। গরমের মধ্যে অসহনীয় লোডশেডিং আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এটি দ্রুত নিরসন জরুরি।’
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকবর হোসেন গনমাধ্যম কে বলেন, ‘আগ্রাবাদ কার্যালয় থেকে চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলা এবং কক্সবাজারে বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যক্রম চলে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রামে অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল মাত্র ২৮ মেগাওয়াট এবং পিক আওয়ারে লোডশেডিং ছিল ৫১.৫০ মেগাওয়াট।’
বিউবো সূত্রে জানা গেছে, বিউবোর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পিক-আওয়ার সাধারণত বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, যখন চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার হলো রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত, তখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট