আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও ভাঙনের কারণে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম নিজ অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের জরুরি সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। মধ্যম গহিরা আরবান আলী জামে মসজিদ এলাকা, বার আউলিয়া এবং দক্ষিণ গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বালু ও বালুর বস্তা ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কগুলো সংস্কারের অপেক্ষায় থাকলেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিন দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করতে হতো। সাময়িক সংস্কারের ফলে বর্তমানে সাধারণ মানুষের চলাচল কিছুটা সহজ হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জনস্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর স্থায়ী উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ ও পরিকল্পিত সংস্কার প্রয়োজন। তারা দ্রুত টেকসই সড়ক নির্মাণ ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এলাকাবাসীরা জানান, উপকূলীয় রায়পুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন,জনগণের সেবা করার জন্য কোনো পদ-পদবির প্রয়োজন হয় না। আমি সবসময় রায়পুরবাসীর সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে থাকতে চাই। যতটুকু সম্ভব নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট