ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গুইমারায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবন চালু না করায় চরম জনদুর্ভোগ।

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 23, 2026 ইং
গুইমারায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবন চালু না করায় চরম জনদুর্ভোগ। ছবির ক্যাপশন: গুইমারায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবন চালু না করায় চরম জনদুর্ভোগ।
ad728
আব্দুর রহিম, গুইমারা, খাগড়াছড়ি: পার্বত্য খাগড়াছড়ি'র গুইমারায়
বিদ্যুৎ বিভাগের অসহযোগিতা ও অবহেলার কারণে দীর্ঘ বছরেও চালু করা যায়নি গুইমারা উপজেলা প্রশাসনিক ভবনটি ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও চালু করা যাচ্ছে না। অস্থায়ী ভবনে কার্যক্রম সীমীতভাবে চালু থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এতে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। 

জানাযায়, গুইমারা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২০২৩ সালে প্রশাসনিক ভবন  নির্মান কাজ শুরু হয়। ৪ দফা সময় বাড়িয়ে কাজ সমাপ্ত করে এস অনন্ত ট্রেডার্স। ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত ৪ তলা ভবনে বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ ও সরবরাহ বাবদ ২ লাখ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগের বরাদ্দ থাকলেও নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিভাগের অসহযোগিতার কারনে তা দিতে পারছেনা। 

এ বিষয়ে গুইমারা উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী রুহুল কুদ্দুস নাঈম জানান তাদের বাস্তবায়িত প্রশাসনিক ভবনের শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেই পুরোদমে প্রশানিক কাজ চালু করা যাবে। তিনি জানান উপজেলা ভবনের  পাশেই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে কিন্তু প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বড় ধরনের অর্থ বাজেটেের চাহিদা দিচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগে। যা নতুন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসম্ভব। তিনি আরও বলেন কন্ট্রাকটারের লোকজন ৫ টি খাম্বা তার ও থ্রি পেইজ ট্রান্সফর্মা বাবদ ৪ লক্ষ টাকা দিতে চাইলেও বিদ্যুৎ বিভাগের সহযোগিতা পাচ্ছে না বলে  অভিযোগ রয়েছে। 

কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারছেনা জানতে চাইলে এস অনন্ত কনষ্টাকশনের বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা মোঃ মোস্তফা জানান আমরা মাটিরাঙ্গা আবাসিক প্রকৌশলী ও জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে মাটিরাঙ্গা বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী জিয়া উদ্দীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হলে ৪৫ লাখ টাকা জমা দিতে হবে তারপর সংযোগ পাবে বলে তিনি জানেন তাছাড়া এ বিষয়টি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী বিস্তারিত বলতে পারবে। 

জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী কুন্তল সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ১ সপ্তাহ আগে যোগদান করেছি এ বিষয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আমার কথা হয়েছে আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখব কি করা যায়।
এ বিষয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিসকাতুল তামান্না বলেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে কিন্তু আজো বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায়নয। বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াতো কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব না। দ্রত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য যে ২০১৪ সালে গুইমারা উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে অস্থায়ীভাবে উপজেলার কার্যক্রম চলে আসছে। প্রশাসনিক ভবন না থাকায় বিভিন্ন দপ্তরের কাজ এখনো চালু হয়নি যে কয়েকটি দপ্তরের কাজ চালু রয়েছে অধিকাংশ ভাড়া দিয়ে চলছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচার

বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচার