ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চান্দগাঁও সিডিএ গার্লস স্কুলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষক স্থায়ীকরণের অভিযোগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 17, 2026 ইং
চান্দগাঁও সিডিএ গার্লস স্কুলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষক স্থায়ীকরণের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন: সৈয়দা নিলুফা আক্তার সহকারী শিক্ষক (বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়) চান্দগাঁও সিডিএ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ
ad728
নিজস্ব প্রতিবেদক |চট্টগ্রাম 

​চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও সিডিএ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই এক সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ীকরণের অভিযোগ উঠেছে।

​নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ সংক্রান্ত যে রেজুলেশন গৃহীত হয়, সেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের সহকারী শিক্ষক সৈয়দা নিলুফা আক্তারের নাম ছিল না। অথচ একই বছরের ৪ আগস্ট তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল আলম স্বাক্ষরিত স্থায়ীকরণ পত্রে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বর্তমানে তিনি স্থায়ী শিক্ষক হিসেবে ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন।

​রেকর্ডপত্র অনুযায়ী, উক্ত পদে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কিংবা আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ও রেজুলেশন ব্যতিরেকে কীভাবে এ স্থায়ীকরণ পত্র জারি করা হলো—তা নিয়ে প্রশাসনিক কাঠামো ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

​যেখানে নোটিশ বোর্ডে  ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা দিয়ে আসা সিডিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭ জন শিক্ষকের স্থায়ীকরণ নিয়ে দুদকের তদন্ত চলছে এবং একই কারণে সিডিএ গার্লস স্কুলের অন্তত সাতজন অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন শিক্ষকের স্থায়ীকরণ আটকে রয়েছে, সেখানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই সৈয়দা নিলুফা আক্তারের স্থায়ী পদে বহাল থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

​এ বিষয়ে জানতে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, 
 "ঘটনাটি ২০১৬ সালের হওয়ায় আমার পুরোটা স্পষ্ট মনে নেই। তবে রেজুলেশনে আমার স্বাক্ষর থাকতে পারে, আলাদা কোনো কাগজে স্বাক্ষর থাকার কথা নয়। আমি আগামীকাল ঢাকা থেকে ফিরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।"

এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সৈয়দা নিলুফা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "আমি ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং বর্তমানে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত আছি। পরিচালনা কমিটি আমাকে উক্ত পদে স্থায়ী করেছেন।"

​নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা অভিভাবক ও সচেতন মহলের।





নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল

বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল