ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পটিয়া রাহাতআলী স্কুলের ফল পতনে সমাজিক যোগাযোগে ক্ষোভ প্রকাশ।

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 12, 2026 ইং
পটিয়া রাহাতআলী স্কুলের ফল পতনে সমাজিক যোগাযোগে ক্ষোভ প্রকাশ। ছবির ক্যাপশন: পটিয়া রাহাতআলী স্কুলের ফল পতনে সমাজিক যোগাযোগে ক্ষোভ প্রকাশ।
ad728
ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া চট্টগ্রাম, প্রতিনিধি-দক্ষিণ চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ১৯৯৪ সালে প্রতিস্টিত শত বছরের বেশি সময় ধরে হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর,যে প্রতিস্টান হতে শিক্ষার আলো নিয়ে দেশ বিদেশে হাজার হাজার শিক্ষার্থী আলো ছড়ায় সেই আলোচিত শিক্ষা প্রতিস্টান আবদুস সোবহান রাহাতআলী স্কুলের এসএসসির ফল পতন দেখে হতবাক পটিয়া বাসী। 
সমাজিক যোগাযোগে বয়ে চলছে ক্ষোভের বহি.প্রকাশ।অনেকেই প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ চায়।অনেকেই প্রধান শিক্ষককে দায়ী করে,অনেকেই প্রধান শিক্ষক,সাধারণ শিক্ষক,অভিভাবক,স্কুল কমিটিকে দায়ী করে, এভাবে স্কুল চলতে দেয়া যাবে না,প্রাক্তন ছাত্র পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে,ফল পতনের কারণ কি?শিক্ষকদের কাছে জানা উচিত,অনেকেই মন্তব্য করেন, ঐতিহাসিক রেজাল্ট,৫% কম পেলে এমপিও বাতিল,লেখাপড়ার চাইতে রাজনীতি বেশী চলে,স্যারদের গ্রুপিং কারণে,প্রধান শিক্ষক ৪টি পদ নিয়ে বসে থাকলে কোনটাতে সময় দিবে,ইত্যাদি স্কুল নিয়ে কমেন্টসে ভরপুর সমাজিক যোগাযোগ। 
সাথে সাথে প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম তোহা জরুরি পদক্ষেপ নেন।১/শ্রেণী শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত ছাত্র বার্ষিক/নির্বাচনী পরীক্ষা দিতে পারবেনা।২/অকৃতকার্য ছাত্রকে এসএসসি ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া যাবে না এবং পরবর্তী শ্রেণীতে প্রমোশন দেয়া যাবেনা।৩/সুপারিশের তদবির করলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।৪/পূর্ণাঙ্গ স্কুল ড্রেস পরিধান করে ক্লাস করতে হবে।৫/শৃংখলা মানতে অসুবিধা হলে টিসি নিয়ে চলে যেতে পারবে।
প্রধান শিক্ষক এ টি এম তোহা,প্রাক্তণ ছাত্র,স্কুল প্রিয়,এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং অর্ধেক ছাত্র উর্ত্তীণ হয়নি তা স্বীকর করে, তিনি বলেন ,সরকার,শিক্ষা বোর্ড জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য পাশের হার বৃদ্ধি করেনি,অভিভাবকের চাপে পড়ে অউর্ত্তীণ ছাত্রকে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হয়।১৩জন ছাত্র অনুপস্হিত এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা না দেয়ায় পাশের হার কমেছে।২০২৫ সালে দায়িত্ব নিয়ে ৩মাসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব নয়।লটারীতে পিছিয়ে পড়া ছাত্র এবং আতংক(সিসিটিভি)পরিবেশে ছাত্ররা পরীক্ষা দেয়।শ্রমজীবি ছাত্ররা পরিবার চালাতে গিয়ে পড়ায় সময় দিতে পারেনি।এরপরও আমরা চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশাপাশী আছি।১০৫জন ছাত্র গণিতে খারাপ করেছে।যার জন্য আমরা ও কষ্ট পেয়েছি।যারা মনে করেন ফলাফল খারাপ মানে বিদ্যালয় অযোগ্য।তা হলে ঢাকার নামকরা স্কুলের ফলাফল দেখুন।আমরা কারণ খুজবো,দূর্বলতা চিহ্নত করবো।পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের বিশেষ উদ্যোগ নিবো,সময় দেবো।আমরা এই বিপর্যয় থেকে কাটিয়ে উঠবো,ইনশাআল্লাহ।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
খায়রুল কবির খোকন বললেন, ‘তারেক রহমানই সরকার পতন আন্দোলনের মা

খায়রুল কবির খোকন বললেন, ‘তারেক রহমানই সরকার পতন আন্দোলনের মা