এম মনির চৌধুরী রানা
বোয়ালখালীতে একটি বসতঘর থেকে ১টি চোরাই গরু ও ১টি মহিষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ৫ নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালু চৌধুরী বাড়ির মো. সজীবের ঘর থেকে এ গরু,মহিষ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে পটিয়া উপজেলার রতনপুর নিমতলা মাজার এলাকা থেকে মিনি পিকআপ করে মহিষ চুরি করে পালিয়ে আসে চোরের দল। বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে পিকআপটি বোয়ালখালী উপজেলার দাশের দিঘি হয়ে সারোয়াতলীতে ঢুকে পড়ে। এ সংবাদে বোয়ালখালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সজীবের বসতঘর থেকে চোরাই ১টি গরু ও ১টি মহিষ উদ্ধার করে। এ সময় চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।
মহিষের মালিক মো.আবদুল্লাহ বিন ছাবের জানান, তিনি খোলা বিলে মহিষ লালন পালন করেন। আজ ভোরে চোরের দল প্রথম একটি পিকআপে করে তার ২টি মহিষ নিয়ে যায়। এরপর আরেকটি মহিষ পিকআপে তোলার সময় তিনি তা দেখে ফেললে তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যাচ্ছিল গাড়িটি। ওই গাড়িকে আটকানো চেষ্টা করেও তিনি সফল হননি। এসময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা দিয়ে পিকআপের গতি রোধের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে পিকআপের ধাক্কায় অটোরিকশাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাথে চালক ও আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক পটিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইলে টহল পুলিশ পিকআপটিকে ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে ওই গাড়ির সূত্র ধরেই সারোয়াতলীতে চোরাই গরু মহিষ রাখার বসতঘরটি সন্ধান মিলে। তিনি বলেন, ৩টি মহিষের বাজার মূল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা হবে। একটি পাওয়া গেলেও আরও দুইটি মহিষের খোঁজ মিলেনি।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, উদ্ধারকৃত মহিষটি তার মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেল ও গরুটি জব্দ রয়েছে। ঘটনাস্থল পটিয়ায় হওয়ায় এ ব্যাপারে পটিয়া থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট