ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীর জলকদর খালকে মডেল খাল হিসেবে ঘোষণা দিলেন- বাঁশখালীতে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 15, 2026 ইং
বাঁশখালীর জলকদর খালকে মডেল খাল হিসেবে ঘোষণা দিলেন- বাঁশখালীতে দুর্যোগ ও  ত্রাণ মন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: বাঁশখালীর জলকদর খালকে মডেল খাল হিসেবে ঘোষণা দিলেন- বাঁশখালীতে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী
ad728
মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বাঁশখালীতে বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করবে সরকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, কৃষি পুনরুদ্ধার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।


বুধবার বেলা ১২. ৩০ মিনিটে তিনি উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের 
ডোংরা এলাকার ফলোয়ান পাড়া খাল খনন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে বন্যাকবলিত মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
 


এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম এমপি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল হক মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) মোঃ কামরুজ্জামান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোঃ রুহুল আমীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ওমর সানি আকন, সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ রবিউল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মাষ্টার লোকমান, সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান শাহ জাহান, চেয়ারম্যান ইউনুস, খানখানাবাদ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম,  প্রমূখ। 



দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জানান, বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে উঁচু স্থানে বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে আসন্ন মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত না হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ মোকাবিলার চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে স্বাস্থ্য সেবার প্রস্তুতির বিষয়ে নিয়মিত তথ্য দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।



তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সারাদেশে ৫০ টি খাল বৃহৎ খাল খননের উদ্যােগ নিয়েছেন, তার মধ্যে বাঁশখালী জলকদর খাল একটি। বিগত ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার এই খাল গুলো সংস্কার না করায় জন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এই খালকে সংস্কার করে কৃষি বিপ্লব ঘটাতে চাই। এই বন্যায় কৃষি খাতে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে, আমরা তালিকা প্রণয়ন করে সার ও বীজ সহ
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র 
প্রদান করব। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
 

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঠাকুরগাঁওয়ে ইত্যাদির শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন হানিফ সংকেত

ঠাকুরগাঁওয়ে ইত্যাদির শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন হানিফ সংকেত