ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্মাণাধীন বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 7, 2026 ইং
সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্মাণাধীন বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ ছবির ক্যাপশন: সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্মাণাধীন বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
নগরের চকবাজার–মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জে রাস্তার পাশে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্মাণাধীন বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। গতকাল বুধবার পরিচালিত এ অভিযানে ইতোপূর্বে নির্মাণ করা দোকান আকৃতির অবকাঠামো বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়। এসময় যারা এ স্থাপনা নির্মাণ করেছে তাদের সতর্ক করা হয়। চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন–এর তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা।

অভিযানের বিষয়ে চসিকের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর, টিনশেড স্থাপনা ও অন্যান্য দখলকৃত অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় দখলদারদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে পুনরায় দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। উচ্ছেদকৃত জায়গাটি পুনরায় দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি এলাকাটিকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করে একটি নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে আজাদীর প্রথম পৃষ্ঠায় ‘সৌন্দর্যবর্ধনের নামে বাণিজ্যিক স্থাপনা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চকবাজার–মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জে রাস্তার পাশে সৌন্দর্যবর্ধনের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি উঠে আসে। এ প্রতিবেদন দেখে ওইদিনই কাতালগঞ্জে ছুটে যান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্মাণাধীন বাণিজ্যিক স্থাপনার কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং সেখানে একটি ‘গ্রিন পার্ক’ গড়ে তোলারও ঘোষণা দেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন গতকাল আজাদীকে বলেন, কাতালগঞ্জের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেয়া হয়েছে। সেখানে একটি গ্রিন পার্ক করব। ওখানে আশপাশে হাসপাতাল ও স্কুল আছে। পার্ক হলে রোগীর স্বজন, অভিভাবকরা এসে বসতে পারবেন। মেয়র বলেন, সেখানে এরকম অবৈধ স্থাপনা হয়ে গেছে তা আমারও চোখে পড়েনি। আসলে সেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে, সেজন্য সড়কের একটি অংশ ঘেরাও দিয়ে রাখা। এই সুযোগে তারা করে ফেলেছে।

এদিকে চসিকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় (কাতালগঞ্জ) সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী ও স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছিল, যা শুধু চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনই নয়, বরং পথচারীদের চলাচল ও আশপাশের পরিবেশের জন্যও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। বিশেষ করে হাসপাতাল সংলগ্ন হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছিল এবং একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’