নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, বাঁশখালী সমিতি চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট সংগঠক ও সমাজসেবী, বাঁশখালীর কৃতীসন্তান মরহুম মুহাম্মদ সিরাজুল কবির-এর মৃত্যুবার্ষিকী ১৬ মে ২০২৬ তারিখে পালিত হয়েছে। ২০১৭ সালের এই দিনে বিকাল ৪টায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাঁশখালী সমিতি চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ আইয়ুব মরহুম সিরাজুল কবিরের সমাজসেবায় অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম সিরাজুল কবির ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ও মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগকারী সমাজসেবী। পেশাগত জীবনে তিনি সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা হলেও ব্যক্তিজীবনে ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, নিরহংকারী, সৎ ও বিনয়ী। সমাজের বিত্তবান শ্রেণি ও অসহায় মানুষের মধ্যে তিনি এক কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। তাঁর উদ্যোগে অসংখ্য দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সহায়তা পেয়েছেন।
বিশেষ করে “আদর্শ বায়তুলমাল তহবিল” প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যাকাত ব্যবস্থাপনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। দারিদ্র্য বিমোচন ও পুনর্বাসনে তাঁর নানা উদ্যোগ আজও মানুষের কাছে প্রশংসিত। সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি শ্রেষ্ঠ সমাজসেবী স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন।
মরহুম সিরাজুল কবির বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ী ইউনিয়নের চেচুরিয়া গ্রামের কুলীন পাড়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশন, বাঁশখালী সমিতি চট্টগ্রাম, আদর্শ বায়তুলমাল তহবিল, কুলীন সংসদ, সমন্বয়, কুলীন শিশু-কিশোর মজলিস ও ইমাম আবু হানিফা ইনস্টিটিউটসহ বহু সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, একমাত্র কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর একমাত্র কন্যা তানসীম জাহান বর্তমানে কক্সবাজারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট