নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন, প্রজননস্থল ধ্বংস ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা
মাননীয় মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন এর নির্দেশনায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার নগরের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি মশার লার্ভা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন করা হয়।
এ সময় মশার প্রজননস্থল সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।
কার্যক্রমে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, “ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন স্থাপনা ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমিয়ে একটি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে চাই। এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম জোরদার করা হয়েছে। নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি বাড়ির আঙিনা, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চসিক। বিশেষ করে ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং এসব স্থান পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট