ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পাইকারিতে কমার সুফল নেই খুচরা বাজারে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 11, 2026 ইং
পাইকারিতে কমার সুফল নেই খুচরা বাজারে ছবির ক্যাপশন: পাইকারিতে কমার সুফল নেই খুচরা বাজারে
ad728
নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম কমেছে। কিন্তু সেই স্বস্তি পৌঁছায়নি খুচরা বাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ৩ টাকা ১৩ পয়সা, পাম তেলে ২ টাকা ৪১ পয়সা। অথচ খুচরা বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব তেল। কোথাও কোথাও বোতলজাত সয়াবিন তেল মোড়কে লেখা দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। 

 

গতকাল নগরীর খাতুনগঞ্জ, চকবাজার, বহদ্দারহাটের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

 

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারিতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৭ টাকা ৩৩ পয়সায়। এক সপ্তাহ আগে যা বেশি ছিল ৩ টাকা ১৩ পয়সা। একই সময়ে পাম তেলের দাম লিটারে ২ টাকা ৪১ পয়সা ।

 

কমে দাঁড়িয়েছে ১৫৬ টাকা ৭৫ পয়সায়। তবে খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং পাম তেল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং দর কমা ও সরবরাহ বাড়ায় তেলের দাম কমেছে। গত মাসে প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের বুকিং দর ছিল ১ হাজার ২২৩ ডলার। বর্তমানে তা কমে ১ হাজার ২০০ ডলারে নেমেছে।

 

তবে খুচরা বাজারে বোতলজাত তেল নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। আধা লিটারের বোতলে ১০৪ টাকা লেখা থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ১০৫ টাকা। এক লিটারের বোতলে ২০৪ টাকা লেখা থাকলেও দাম চাওয়া হচ্ছে ২১০ টাকা।

 

বেশি দামে তেল বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে বহদ্দারহাট এলাকার মুদি দোকানি জাহাঙ্গীর আলম পূর্বকোণকে বলেন, ‘আমরা বেশি দামেই কিনেছিলাম। কিন্তু পাইকারিতে দাম কমেছে পরে। সেজন্য বাধ্য হয়ে একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’ 

 

 

চকবাজারে তেল কিনতে আসা গৃহবধূ সাহেনা আক্তার বলেন, টিভিতে দেখলাম ভোজ্যতেলের দাম কমেছে। কিন্তু বাজারে এসে দেখি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়তি। 

 

অনেক কিছু কেনার আশায় বাজারে আসি, কিন্তু পরে দাম বেশি হওয়ায় সমন্বয় করতে গিয়ে কম কিছু নিয়ে বাড়ি ফিরি।’

বাজারে জোরদার তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, দেশে একবার ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়লে তা আর কমতে চায় না। সামনে রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তাদের সেই অপচেষ্টা রুখে দিতে এখন থেকে প্রশাসনকে সক্রিয় হতে হবে।

 

 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ফয়েজ উল্যাহ বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত এই অভিযান চলবে।

 


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট

কমেন্ট বক্স
বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন